হ্যাসট্যাগ অন্য আমি


জানলা খুললে এক-দু ফোঁটা রোদ তখনও এসে পড়ছে ঠোঁটের কাণায়। 
আমসত্ত্ব খেতে খেতে স্বপ্ন দেখছি পাহাড় চুড়ো। 
গল্পের বই পড়ার অভ্যেস নেই, তবু বাড়িতে কেউ না থাকলে শো-কেস থেকে “নহন্যতে” নামিয়ে পড়তে বেশ ভালো লাগছে। 
সকালবেলা রুটিন দেখে ব্যাগে বই ঢোকানোর সময় মনে পড়লো- ফোর্টনাইট ওভার, লাইব্রেরির বইটা ফেরৎ দেওয়া হয়নি। 
স্কুল ছুটির পর দু’টাকার আলুকাবলি চারজনে মিলে খেয়ে, হাত দিয়ে নাক মুছতে মুছতে বাড়ি ফিরছি। 
গাড়ি রাস্তা পার হতে তখনও একটা শক্ত হাত লাগে।
আকাশ দিয়ে প্লেন উড়ে গেলে, হাঁ করে মাঝ রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে যাই।
খেলতে গিয়ে হাঁটু ছড়ে গেলে, চিৎকার করে কাঁদছি তখনও। 
সন্ধ্যেবেলা হারমোনিয়ামে মা’তে সুর লাগছে না বলে, মা’র কাছে বেধরক মার খাচ্ছি।
অঙ্ক আর ভূগোল তখনও বাবার ডিপার্টমেন্ট।
অ্যান্টেনা উপর-নীচে করলে তবে ডিডি বাংলা’টা আসে টিভিতে।
মাছ বেছে দেয় মা, ডাল মাখা ভাত আর একটু মাছ খাওয়া হয়ে গেলেই, ইয়াহ বড়ো বড়ো হাই তুলে ঘুমের সাথে সখ্যতা। 
বড়ো হওয়ার প্রাণপণ ইচ্ছে তখনও রন্ধ্রে রন্ধ্রে।। 

Comments

Popular posts from this blog

স্রোত

বালির ঘর

গল্প কথা